• Breaking News

    Logic-search-engine

    Age-calculator-বয়সের-হিসেব

    বাক্যকে-বচনে-পরিনত-করার-নিয়ম-কি?

    Wednesday, April 28, 2021

    Argument definition Philosophy

    Argument short questions and answers

    Argument short questions and answers (যুক্তির শর্ট প্রশ্ন উত্তর)





    Argument short questions and answers in Bengali

    1) তর্কবিদ্যার সংজ্ঞা কি ? অথবা তর্কবিদ্যা কাকে বলে ?

    উত্তর:- যে বৈধ যুক্তিকে অযথার্থ বা অবৈধ যুক্তি থেকে পৃথক করার জন্য কতকগুলি নিয়ম ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে , তাকেই বলে তর্কবিদ্যা বা তর্কবিজ্ঞান বা যুক্তিবিজ্ঞান ।



    2) ভাষায় প্রকাশিত যে-কোনো অনুমানকেই যুক্তি বলা যায় কী ?

    উত্তর:- ভাষায় প্রকাশিত যে-কোনো অনুমানকেই যুক্তি বলা যায় না ।



    3) যুক্তির বৈশিষ্ট্য কি ?

    উত্তর:- ভাষায় প্রকাশিত যে-কোনো অনুমানকেই যুক্তি বলা যায় না । যুক্তির কিছু বৈশিষ্ট্য আছে । যথা-
    (i) একাধিক বচন বা বাক্য দ্বারা গঠিত
    (ii) দুটি অংশ সমন্বিত
    (iii) হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের অন্তঃস্থিত সম্বন্ধস্বরূপ


    (i) একাধিক বচন বা বাক্য দ্বারা গঠিত :- যুক্তি অবশ্যই একাধিক বচন বা বাক্য দ্বারা গঠিত হয় । অর্থাৎ , যুক্তি কখনোই একটি মাত্র বচন দ্বারা গঠিত হতে না । একাধিক বচনের সম্মিলিত রূপেই যুক্তিকে গঠন করা যায় ।

    (ii) দুটি অংশ সমন্বিত :- যুক্তির দুটি অংশ -- হেতুবাক্য বা যুক্তিবাক্য এবং সিদ্ধান্ত ।

    (iii) হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের অন্তঃস্থিত সম্বন্ধস্বরূপ :- যুক্তি হল হেতুবাক্য এবং সিদ্ধান্তের অন্তস্থিত এক সম্বন্ধস্বরূপ । অর্থাৎ , হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই - এমন বচন দ্বারা কোনো যুক্তিই গঠন করা যায় না ।

    যেমন :-
    রাম হয় বুদ্ধিমান ।
    টেবিল হয় কাষ্ঠনির্মিত বস্তু ।
    ... পৃথিবী হয় গোল ।
    এই বচন বা বাক্যগুলির সঙ্গে পারস্পরিকভাবে কোনো সংযোগ নেই বলেই চলে এই ধরনের বচনগুলি দ্বারা কোনো যুক্তি গঠন করা যায় না ।

    সঠিক বচন বা বাক্য হল -
    সকল মানুষ হয় মরণশীল ।
    রাম হয় মানুষ ।
    ...রাম হয় মরনশীল ।



    4) হেতুবাক্য কি?

    উত্তর:- যে বাক্য বা বচনগুলির সাহায্যে আমরা একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে উপনীত হই, সেই বচন বা বচনগুলিকেই বলে হেতুবাক্য ।

    সকল মানুষ হয় মরণশীল । -- (হেতুবাক্য)
    রাম হয় মানুষ । -- (হেতুবাক্য)
    ...রাম হয় মরনশীল ।



    5) সিদ্ধান্ত কি ?

    উত্তর:- যে সমস্ত হেতুবাক্যের সাহায্যে যে বাক্য বা বচনটি প্রতিষ্টিত হয়, তাকেই বলে সিদ্ধান্ত।

    সকল মানুষ হয় মরণশীল । -- (হেতুবাক্য)
    রাম হয় মানুষ । -- (হেতুবাক্য)
    ...রাম হয় মরনশীল ।-- (সিদ্ধান্ত)



    6) যুক্তির অবয়ব বা অংশ কি ?

    উত্তর:- হেতুবাক্য এবং সিদ্ধান্তকে বলা হয় যুক্তির অবয়ব বা অংশ ।



    7) অবরোহ যুক্তি কাকে বলে ?

    উত্তর:- যে যুক্তির সিদ্ধান্ত এক বা একাধিক আশ্রয়বাক্য থেকে অনিবার্যভাবে ও বিধিসংগতভাবে নিঃসৃত হয় এবং সিদ্ধান্ত কখনও আশ্রয়বাক্য থেকে অধিক ব্যাপক হয় না , কম ব্যাপক বা সমব্যাপক হয় তাকে অবরোহ যুক্তি বলে ।



    8) আরোহ যুক্তি কাকে বলে ?

    উত্তর:- যে যুক্তিতে কয়েকটি বিশেষ বস্তু বা ঘটনা পর্যবেক্ষণ বা পরীক্ষণ করে , কার্যকারণ নিয়ম ও প্রকৃতির একরুপতা নীতির ওপর ভিত্তি করে, একটি সার্বিক সংশ্লেষক বচন সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠিত করা হয় , তাকে আরোহ যুক্তি বলে ।



    9) অমাধ্যম যুক্তি কাকে বলে ?

    উত্তর:- একটি আশ্রয়বাক্য থেকে , অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে ,বিধিসম্মতভাবে এই যুক্তির সিদ্ধান্ত সরাসরি নিঃসৃত করা হয় , তাকে অমাধ্যম যুক্তি বা অমাধ্যম অনুমান বলে ।



    10) মাধ্যম যুক্তি কাকে বলে ?

    উত্তর:- একাধিক আশ্রয়বাক্য থেকে , বিধিসম্মতভাবে এই যুক্তির সিদ্ধান্ত অনিবার্যভাবে নিঃসৃত করা হয় , তাকে মাধ্যম যুক্তি বা মাধ্যম অনুমান বলে ।



    11) বৈধ যুক্তি কাকে বলে ?

    উত্তর:- যদি কোনো যুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়ম অনুসরণ করে অনিবার্যভাবে আশ্রয়বাক্য থেকে নিঃসৃত হয়, সেই যুক্তি বৈধ যুক্তি (Valid) বলে ।



    12) অবৈধ যুক্তি কাকে বলে ?

    উত্তর:- যদি কোনো যুক্তির যথাযথভাবে নিয়ম অনুসরণ না করে সিদ্ধান্ত নিঃসৃত করা হয় , তবে যুক্তিটিকে অবৈধ (Invalid) যুক্তি বলে ।



    13) বৈধ যুক্তির বৈশিষ্ট্য কী ?

    উত্তর:- বৈধ যুক্তির বৈশিষ্ট্য হল -
    (i) বৈধ ন্যায়ের নিয়ম অনুসারে যুক্তি গঠন করা হলে যুক্তি বৈধ হয় ।

    (ii) বৈধ যুক্তির সিদ্ধান্ত হেতুবাক্যে যুক্ত থাকে ।

    (iii) সিদ্ধান্ত হেতুবাক্যকে অতিক্রম করে যায় না ।

    (iv) বৈধ যুক্তির সিদ্ধান্ত অনিবার্যভাবে আশ্রয়বাক্য থেকে নিঃসৃত হয় ।

    (v) বৈধ যুক্তির সিদ্ধান্ত সত্য বা মিথ্যা হতে পারে । কিন্তু কোনো বৈধ যুক্তির আশ্রয়বাক্য সত্য এবং সিদ্ধান্ত মিথ্যা হতে পারে না । এরূপ হলে যুক্তি অবৈধ হবে ।

    (vi) অবরোহ যুক্তির বৈধতা হেতুবাক্যের সত্যতা বা সিদ্ধান্তের সত্যতার ওপর নির্ভর করে না । বৈধ অবরোহ যুক্তির হেতুবাক্য ও সিদ্ধান্ত উভয়ই মিথ্যা হতে পারে ।

    (vii) কোনো যুক্তি বৈধ হলে সেই যুক্তি-আকারটি বৈধ হয় এবং ওই আকারের যে কোনো যুক্তিই বৈধ হয় ।



    14) অবরোহ যুক্তির বৈশিষ্ট্য কী ?

    উত্তর:- অবরোহ যুক্তির বৈশিষ্ট্য হল -
    (i) অবরোহ যুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তিবাক্যের সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে ।

    (ii) যুক্তিবাক্য থেকে সিদ্ধান্তটি অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় ।

    (iii) সিদ্ধান্তে এমন কোনো বিষয় প্রমানিত হতে পারে না, যা যুক্তিবাক্যের মধ্যে যুক্ত নয় ।

    (iv) যুক্তিবাক্যের ব্যাপকতার চেয়ে সিদ্ধান্তের ব্যাপকতা কখনোই বেশি হবে না ।

    (v) অবরোহ যুক্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আকারগত সত্যতার ওপরেই গুরুত্ব দেওয়া হয়,বস্তুগত সত্যতার ওপর কোনো গুরুত্ব আরোপ করা হয় না ।
    অর্থাৎ , বাস্তব ঘটনার সঙ্গে অবরোহ যুক্তির মিল থাকতেও পারে , আবার নাও থাকতে পারে । যুক্তির আকার কিন্তু এতে লঙ্ঘিত হয় না ।

    (vi) অবরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তের সত্যতা তার যুক্তিবাক্যের সত্যতা থেকে নিঃসৃত হয় । সেই কারণে দাবি করা যায় যে , যুক্তিবাক্যগুলি সত্য হলে সিদ্ধান্তটি কখনোই মিথ্যা হতে পারে না ।

    (vii) অবরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তটি কখনোই যুক্তিবাক্যের বক্তব্যবিষয়কে অতিক্রম করতে পারে না । যুক্তিবাক্যের অপ্রমাণিত বিষয়কেই তা সিদ্ধান্তে প্রমাণ করে মাত্র ।

    (viii) সিদ্ধান্তের সত্যতাকে প্রমাণ করাই হল , অবরোহ যুক্তির মূল উদ্দেশ্য এবং তারই পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তির অপরাপর বিচার সম্ভব হয় ।



    15) আরোহ যুক্তির বৈশিষ্ট্য কী ?

    উত্তর:- আরোহ যুক্তির বৈশিষ্ট্য হল -
    (i) অবরোহ যুক্তির মতো আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তটিও সর্বদা যুক্তিবাক্য থেকে নিঃসৃত হয় ।

    (ii) আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তটি সবসময়ই একাধিক যুক্তিবাক্য থেকে নিঃসৃত হয় ।

    (iii) আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তটিযুক্তিবাক্য থেকে নিঃসৃত হয় ঠিকই , কিন্তু তা কখনোই অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় না । অর্থাৎ , যুক্তিবাক্যগুলি সত্য হলেও , সিদ্ধান্তটি মিথ্যা হতে পারে ।

    (iv) আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তটি সর্বদা যুক্তিবাক্যের চেয়ে ব্যাপকতর হয় । অর্থাৎ, ব্যাপকতা দিক থেকে তা সবসময়ই যুক্তিবাক্য অপেক্ষা বেশি ।

    (v) আরোহ যুক্তির ক্ষেত্রে আকারগত সত্যতার সঙ্গে সঙ্গে বস্তুগত সত্যতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয় । অর্থাৎ, বস্তুগত সত্যতার দিকটিও এক্ষেত্রে উপেক্ষিত নয় ।

    (vi) আরোহ যুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল, বস্তুগত সত্য আবিষ্কারে সহায়তা করা ।



    16) সত্যতার কয় প্রকার ও কি কি ?

    উত্তর:- অবরোহ যুক্তিবিজ্ঞানে বচনের সত্যতাকে দু-ভাগে ভাগ করা যায় । যথা -
    (i) আকারগত সত্যতা (Formal Truth)
    (ii) বস্তুগত সত্যতা (Material Truth)



    17) আকারগত সত্যতা কি ?

    উত্তর:- আমাদের চিন্তার আকারের মধ্যে যদি কোনো প্রকার স্ববিরোধিতা বা অসংগতি দেখা না দেয়, তবে তাকে আকারগত সত্যতা বলে ।
    যেমন :- সোনার পাথরবাটি,আকাশকুসুম ইত্যাদি ।



    18) বস্তুগত সত্যতা কি ?

    উত্তর:- বচনে প্রতিফলিত চিন্তার সঙ্গে বাস্তব জগতের যদি মিল বা সংগতি দেখা যায় , তাহলে বলা যায় যে ওই সমস্ত বচনের বস্তুগত সত্যতা আছে ।
    যেমন :- আকাশ হয় নীল্ , ঘাস হয় সবুজ , মানুষ হয় দ্বিপদবিশিষ্ট্য জীব ইত্যাদি ।



    19) সাপেক্ষ যুক্তি কাকে বলে ?

    উত্তর:- যে অবরোহ যুক্তির অন্তত একটি অবয়ব সাপেক্ষ বচন, তাকে সাপেক্ষ যুক্তি বলে ।



    20) সাপেক্ষ যুক্তি কয় প্রকার ?

    উত্তর:- সাপেক্ষ যুক্তি প্রধানত দুই প্রকার । যথা -
    (i) প্রাকল্পিক যুক্তি
    (ii) বৈকল্পিক যুক্তি



    Argument short questions and answers in Bengali

    Argument example in Bengali

    যুক্তির শর্ট প্রশ্ন উত্তর

    Argument definition Philosophy





    দর্শনের প্রাকল্পিক ও বৈকল্পিক ন্যায় click here.

    যদি তোমাদের এগুলো ভালো লাগে তাহলে কোমান্ড কর আর শেয়ার কর। তাহলে আমি আরও লিখব তোমাদের জন্য ।


    ধন্যবাদ

    No comments:

    Post a Comment